
একেএম বাবু নিজস্ব প্রতিবেদক:+
ধানের শীষের প্রার্থী (সাবেক) মন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার আমিনুল হক তিনি রাজশাহী ১ তানোর গোদাগাড়ী এ আসনে উন্নয়নের রুপকার হিসেবে এখনোও তার নামটি প্রচার রয়েছে। সেই সুবাদে তার ছোট ভাই বেগম খালেদা জিয়ার (সাবেক) সামরিক সচিব চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিনকে ধানের শীষ প্রতীক মনোনয়ন দেন বিএনপির হাইকমান্ড। এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তিনি রাজশাহী সফরে আসেন এবং সাবেক মন্ত্রী মরহুম আমিনুল হকের কবর জিয়ারত শেষ করে এক অনুষ্ঠান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তিনি মেজর শরিফ উদ্দিন সহ রাজশাহীর ধানের শীষের অন্য প্রার্থীদেরকেও সবার কাছে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। তার পর আর বুঝতে কি থাকে ধানের শীষের প্রার্থী কে? অপরদিকে গোদাগাড়ীর মহিশাল বাড়ি বাজারে ধানের শীষ প্রার্থী প্রত্যাহারের দাবীতে প্রথম মহাসড়ক অবরোধ করেন সুলতানুল ইসলাম তারেকের অনুসারীরা। এর পর গতকাল সন্ধায় তানোর ডাকবাংলো মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী প্রত্যাহারের দাবীতে মশাল মিছিল করেন কলমা ইউপির চন্দন কোঠা গ্রামের আবুল হোসেন নেতৃত্বে সুলতানুল ইসলাম তারেকের সমর্থকেরা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ধানের শীষের সমর্থকেরা তা প্রতিহত করতে গেলে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এতে করে টার্গেটে পড়েন সরকারি অফিস সরকারি গাড়ী শুরু হয় ভাংচুর, তখনি আবার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। অন্য দিকে বিএনপির তৃনমুল নেতা কর্মীরা দাবি করেন তারা কেন্দ্রের নির্দেশ মানছে না? সে কারনে আমরা তাদের মশাল মিছিলে বাঁধা দিয়েছি ধানের শীষ যার হাতে আমরা থাকবো তার সাথে এ কথা হুলো দৈনিক ঐশী বাংলাকে বলেন ধানের শীষ অনুসারীরা।
এঘটনায় উভয় পক্ষের ইটের আঘাতে বেশ ২০ জন আহত হন। এর আগে বিকেল থেকেই ডাকবাংলো মাঠে অবস্থান নেয় তারেক গ্রুপের লোকজন ও থানা মোড়ে অবস্থান নেয় শরীফ গ্রুপের লোকজন। সন্ধ্যার আগ থেকেই থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে পুলিশের ভূমিকা ছিল নিরব।
এঘটনায় গোদাগাড়ীর দেলসাদপুর গ্রামের রুবেল নামের এক কর্মীর পা ভেঙে দেয়। সে দীর্ঘ সময় পৌর ভবনের দক্ষিণে বট গাছের কাছে পড়ে ছিলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। তবে গতকাল সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত চলে এ উত্তেজনা।
জানা গেছে একই দিন কলমা ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে গনসংযোগে ছিলেন মেজর জেনারেল (অব) শরিফ উদ্দিন।
তানোর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আফজাল হোসেনের সুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন দিলে তিনি দৈনিক ঐশী বাংলার ফোনও রিসিভ না করায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নাই।